উল্টোপাড়ার চা-কাণ্ড (পার্ট – ১৯): চা দোকান নাকি পরামর্শ কেন্দ্র?


উল্টোপাড়ার চা-কাণ্ড (পার্ট – ১৯): চা দোকান নাকি পরামর্শ কেন্দ্র?

গ্রামবাংলার মজার হাসির গল্প। উল্টোপাড়ার চা-কাণ্ড সিরিজের পার্ট – ১৯ পড়ুন। চা দোকান নাকি পরামর্শ কেন্দ্র? – একেবারে খাঁটি কমেডি।

চা দোকান নাকি পরামর্শ কেন্দ্র? : উল্টোপাড়ার চা-কাণ্ড (পার্ট – ১৯)

চা খাও, সঙ্গে মতামত ফ্রি!

সকালবেলা বাবলু চা মাস্টার দোকান খুলতেই বুঝল—
আজ চা দোকান ঠিক স্বাভাবিক না।

কেউ “এক কাপ চা” বলছে না।
সবাই বলছে—
— “একটু কথা আছে।”

টুনু ফিসফিস করে বলল,
— “দাদা, আজ সবাই সমস্যার প্যাকেট নিয়ে এসেছে।”

🧠 সমস্যা জমতে লাগল

একজন এসে বলল,
— “বউ কথা শোনে না।”

আরেকজন বলল,
— “ছেলে পড়ে না, মোবাইল ছাড়ে না।”

এক কাকু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
— “দাম বাড়ছে, আয় বাড়ছে না।”

চেয়ারম্যান গম্ভীর মুখে বসে বললেন,
— “গ্রামটা দিক হারাচ্ছে।”

বাবলু চা ঢালতে ঢালতে ভাবল—
এইটা তো চা দোকান না, আলোচনা সভা!

😂 পরামর্শের হাট

ডাক্তার বললেন,
— “সব সমস্যার মূল স্ট্রেস।”

পুলিশ বলল,
— “নিয়ম মানলে সব ঠিক।”

চেয়ারম্যান বললেন,
— “আগে আমাদের সময়…”

এই শুনে টুনু ফিসফিস করে বলল,
— “এই কথাটা সব জায়গায় শোনা যায়।”

সবাই কথা বলছে,
কেউ কারও কথা শুনছে না।

☕ বাবলুর বুদ্ধি

বাবলু হঠাৎ চা দোকানের বোর্ডে লিখল—

“চা ফ্রি না,
পরামর্শ ফ্রি।”

লোকজন থমকে গেল।

একজন জিজ্ঞেস করল,
— “চা না খেয়ে কথা বললে?”

বাবলু বলল,
— “তাহলে ডাবল চা লাগবে!”

সবাই হেসে উঠল।

🤣 পরামর্শের ফলাফল

সবাই চা খেল।
পরামর্শ চলল।

দিন শেষে—
বউ আগের মতোই কথা শোনে না,
ছেলে আগের মতোই মোবাইল দেখে,
দাম আগের মতোই বাড়ে।

টুনু বলল,
— “দাদা, তাহলে লাভ কী?”

বাবলু মুচকি হাসল,
— “সমস্যা মেটেনি,
কিন্তু মাথা হালকা হয়েছে।”

🎯 শেষ মোচড়

চেয়ারম্যান উঠে বললেন,
— “আজ বুঝলাম—
চা দোকানই গ্রামের সংসদ!”

বাবলু বোর্ডের নিচে ছোট করে লিখল—

“সমাধান না হোক,
চা থাকলেই কথা হয়।”

সবাই মাথা নাড়ল।

উল্টোপাড়ার চা-কাণ্ড

🎯 উল্টোপাড়ার চা-কাণ্ড ☕

👉 সব গুলো পার্ট পড়ুন

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *