গ্রামবাংলার মজার হাসির গল্প। উল্টাপাড়ার চা-কাণ্ড সিরিজের পার্ট – ২ পড়ুন। লবণ দিয়ে চা আর গ্রামের বৈজ্ঞানিক – একেবারে খাঁটি কমেডি।
☕ লবণ দিয়ে চা আর গ্রামের বৈজ্ঞানিক : উল্টাপাড়ার চা-কাণ্ড (পার্ট – ২)
চিনি ছাড়া চা দিবস ঘোষণার পর উল্টাপাড়ায় নতুন সমস্যা শুরু হল।
মানুষ এখন চা খেতে এসে জিজ্ঞেস করে—
— “বাবলু, আজ কী ফ্লেভার?”
বাবলু ভাবল, “একই জিনিস বারবার দিলে লোকে বোর হয়ে যাবে।”
ঠিক তখনই গ্রামে হাজির হল টুনু বিজ্ঞানী—যে নিজেকে ইউটিউব দেখে তৈরি করা বিজ্ঞানী বলে দাবি করে।
টুনু বলল,
— “আমি নতুন চা আবিষ্কার করেছি—মিনারেল টি!”
বাবলু সন্দেহ করে জিজ্ঞেস করল,
— “এর মধ্যে কী আছে?”
টুনু গম্ভীরভাবে বলল,
— “লবণ।”
☕ লবণ চা কাণ্ড
প্রথম কাপ গেল চেয়ারম্যানের কাছে।
চেয়ারম্যান এক চুমুক খেয়েই চমকে উঠলেন—
— “এটা চা না স্যুপ?”
টুনু আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলল,
— “স্যার, এটা শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক করে।”
ঠিক তখন পাশের মাতব্বর বলল,
— “তা হলে আমার গ্যাস কেন হচ্ছে?”
গ্রামের সবাই মুখ চাওয়া-চাওয়ি করছে, কেউ বুঝতে পারছে না হাসবে না রাগ করবে।
🧪 বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা
টুনু ঘোষণা করল,
— “এটা পরীক্ষামূলক। এক কাপ খেলেই ১০ মিনিটে শক্তি বাড়বে।”
১০ মিনিট পরে দেখা গেল—
✔ এক জনের হেঁচকি উঠেছে
✔ এক জন জল খুঁজছে
✔ আর চেয়ারম্যান… ঘামছেন!
চেয়ারম্যান বললেন,
— “বাবলু, কাল থেকে এই চা বন্ধ।”
বাবলু শান্তভাবে বলল,
— “স্যার, এটা তো ফ্রি ট্রায়াল ছিল।”
😂 শেষ মোচড়
টুনু শেষে স্বীকার করল—
সে আসলে ভুল করে চিনি আর লবণ গুলিয়ে ফেলেছিল।
চেয়ারম্যান ঘোষণা করলেন—
“উল্টাপাড়ায় আজ থেকে কোনো নতুন আবিষ্কার আগে চেয়ারম্যানকে জানাতে হবে!”
বাবলু সাইনবোর্ডে নতুন লাইন যোগ করল—
☕ “এখানে চা পাওয়া যায়—বৈজ্ঞানিক ঝুঁকি নিজের দায়িত্বে!”

Leave a Reply