উল্টাপাড়ার চা-কাণ্ড (পার্ট – ১): চা, চিনি আর চেয়ারম্যানের চশমা


বাংলা হাসির গল্প

গ্রামবাংলার মজার হাসির গল্প। উল্টাপাড়ার চা-কাণ্ড সিরিজের পার্ট – ১ পড়ুন। চা, চিনি আর চেয়ারম্যানের চশমা – একেবারে খাঁটি কমেডি।

চা, চিনি আর চেয়ারম্যানের চশমা : উল্টাপাড়ার চা-কাণ্ড (পার্ট – ১)

গ্রামের নাম উল্টাপাড়া। নাম যেমন, কাজকর্মও ঠিক তেমনই উল্টোপাল্টা।
এই গ্রামে চা খাওয়া একটা রীতির মতো – দিনে অন্তত সাতবার চা না খেলে মানুষ নিজেকে অসুস্থ মনে করে।

গ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত চা–ওয়ালা হল বাবলু চা মাস্টার
তার চায়ে নাকি এমন কিছু আছে, একবার খেলে ভুলে যাওয়া হাজার পুরোনো কথাও মনে পড়ে যায়!

একদিন সকালে বাবলু চা বানাচ্ছে।
হঠাৎ খেয়াল করল—চিনি শেষ!

চিনি ছাড়া চা বানানো মানে গ্রামের মানুষের কাছে—

“বৃষ্টি ছাড়া বর্ষাকাল!”

বাবলু ভাবল, “এটা হলে চলবে না। আজ তো চেয়ারম্যান আসবে চা খেতে!”

চিনির জন্য সে দৌড়ে গেল পাশের দোকানে। দোকানদার বলল,
— “চিনি নেই, কাল আসবে।”

বাবলু হতাশ হয়ে ফিরল, কিন্তু মাথায় বুদ্ধি এল।
সে বলল,
— “ঠিক আছে, আজ স্পেশাল ডায়েট চা চলবে!”

☕ ডায়েট চা বিতর্ক

চেয়ারম্যান এলেন, সাথে গ্রামের পাঁচজন মাতব্বর।
চা খেয়ে প্রথম চুমুকেই চেয়ারম্যান থমকে গেলেন।

— “বাবলু… চায়ে চিনি কম নাকি?”
বাবলু আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলল,
— “না স্যার, এটা শূন্য-চিনি প্রযুক্তি।”

মাতব্বর এক বলল,
— “চা তিতা কেন?”
বাবলু বলল,
— “স্যার, এটা জীবনের বাস্তবতার স্বাদ।”

সবাই মাথা নাড়ল। কেউ কিছু বলল না—কারণ কেউই বুঝতে পারেনি আসলে কী খাচ্ছে।

👓 চশমা কাণ্ড

হঠাৎ চেয়ারম্যান বললেন,
— “আমার চশমা কোথায়?”

সবাই খুঁজছে, কিন্তু চশমা নেই।
শেষে দেখা গেল—চশমাটা চায়ের কাপের ভিতরে!

চেয়ারম্যান রেগে গিয়ে বললেন,
— “এটা কীভাবে হল?”

বাবলু শান্তভাবে বলল,
— “স্যার, আপনার চশমাও ডায়েট চা খেতে চেয়েছিল!”

😂 শেষ কথা

চেয়ারম্যান প্রথমে রাগ করলেও শেষে নিজেই হেসে ফেললেন।
তিনি ঘোষণা করলেন—

“আজ থেকে উল্টাপাড়ায় সপ্তাহে একদিন চিনি ছাড়া চা দিবস পালন হবে!”

আর বাবলু?
সে এখন সাইনবোর্ড লাগিয়েছে—

“বাবলু চা—চিনি থাকুক বা না থাকুক, হাসি গ্যারান্টি!” 😄

বাংলা হাসির গল্প

উল্টাপাড়ার চা-কাণ্ড (পার্ট – ১): চা, চিনি আর চেয়ারম্যানের চশমা

কমেডি : অবাধ্য

🎯 উল্টাপাড়ার চা-কাণ্ড ☕

👉 সব গুলো পার্ট পড়ুন

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *